fbpx
Creative Clan ব্লগ গ্রাফিক ডিজাইন জানুন কিভাবে ডিজাইনারদের ভবিষ্যত অসাম হয়!
গ্রাফিক ডিজাইনাররা ভবিষ্যত কিভাবে অসাম করবেন?

জানুন কিভাবে ডিজাইনারদের ভবিষ্যত অসাম হয়!

গ্রাফিক ডিজাইনাররা ভবিষ্যত কিভাবে অসাম করবেন?

এই আর্টিকেলটি মূলত সিনিয়র ডিজাইনারদের জন্য যারা অলরেডি মার্কেটপ্লেস কাজ করেন। তবে নতুনরা পড়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে পারবেন।

এই আর্টিকেল সম্পূর্ণ পড়ার পর আপনি ডিজাইনার হিসাবে আপনার লাইফ হবে আনন্দময় এবং প্রতিটি ডিজাইন করার সময় আপনি পাবেন অন্যরকম তৃপ্তি এবং সাথে থাকছে ডাবল বেনিফিট।

সিনিয়র ডিজাইনারদের উদ্দেশ্যে

আপনি কতদিন যাবত কাজ করছেন? অনলাইন ডিজাইন ক্যারিয়ারের পাশাপাশি আর কি করেন? আপনি নিশ্চয় সারা জীবন একা একা রাত জেগে ডিজাইন করবেন না। একটা সময় এটা বেশ বোরিং লাগবে। যেমনটা আমি ফিল করছিলাম ডিজাইনার হিসাবে ৮ বছর ফ্রিল্যান্সিং লাইফের এই প্রান্তে এসে।

আমরা প্রতিদিনের কর্মপ্রচেষ্টার মধ্যমে নিজেদের অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থা করে থাকি। বেশিরভাগ জবের ক্ষেত্রেই তাই হয়। সুতরাং আমাদের সবারই জব সিকিউরিটিক কম, যদি না আপনি সরকারি চাকরি জীবী হন।

তবে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসাবে আপনি এই দৌড়ে অন্যদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। আপনি অনায়াসেই চমৎকার ভবিষ্যৎ গড়তে পারেন আপনার ক্রিয়েটিভটি দিয়ে।

কিভাবে সম্ভব হবে?

আপনার সৃজনশীলতা দিয়ে অন্যের বিজনেসকে যেভাবে রাঙিয়ে তোলেন একই ভাবে আপনি নিজের ভবিষ্যতকেও রাঙাতে পারেন।

চলুন তাহলে ভূমিকা বাদ দিয়ে আসল কথায় আসি। আপনি দুই ভাবে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসাবে অসাম ভবিষ্যৎ গড়তে পারেন।

১. দ্বিতীয় আয়ের উৎস তৈরী করে

আপনি গ্রাফিক ডিজাইনার হিসাবে যখন ফ্রিল্যান্সিং করছেন তখন আপনার আয় অন্যদের থেকে তুলনা মূলক বেশি। সেটা লোকালি কাজ করা যেকোনো ডিজাইনার কিংবা অন্য কোন জবের তুলনায় ২ থেকে ১০ গুন বেশি হওয়াটা সাভাবিক।

আপনি আপনার এই আয়ের টাকা অযথা ব্যয় না করে নিজের ভবিষ্যতের জন্য দ্বিতীয় আয়ের উৎস তৈরির মাধ্যমে। কারন এটা আয়ের উৎস কখনোই নিরাপদ নয়।

প্রথম দিরক নিরাপদ বিনেয়োগ হতে পারে কোন একটা দোকান বা জমি কেনা মধ্য দিয়ে। গ্রামে এখনো আপনি ১-৩ লাখ টাকার মধ্যে দোকান বা জমি জমি কিনতে পারেন। এভাবে আপনি ২-৩ বছরে বিশাল পরিবর্তন লক্ষ করবেন। এই স্থায়ী সম্পদ গুলো আপনাকে অনেকটা নিশ্চিন্ত রাখবে। বিয়ে করার সময় এসব আপনার যোগ্যতার প্রমান হিসাবে দেখাতে পারবেন, হা হা 😀

এছাড়াও এই ছোট ছোট সম্পদ কে পরবের্তীতে বিক্রি করে বড় কোন স্বপ্ন পূরন করতে পারবেন।

২. শুধু মাত্র এক মার্কেটপ্লেস নির্ভর না হয়ে

যে কোন কারণে সেটা আপনার ভুলের কারণে বা অনভিপ্রেত দুর্ঘটনায় আপনি হয়তো মার্কেটপ্লেস প্রোফাইল হারাতে পারেন।

আবার আপনার পার্মানেন্ট ক্লায়েন্ট যে আপনাকে সব সময় কাজ সরবরাহ করবে সেটার শতভাগ নিশ্চয়তা আপনি দিতে পারবেন না। তাই নিজেকে অনলাইনের বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে প্রতিষ্ঠিত করুন।

সব থেকে ভালো হয় যদি আপনি পেসিভ আয়ের উৎস তৈরি করতে পারেন। এতে করে আপনি ডায়নামিক আয়ের পথ তৈরি হবে।

পেসিভ আয়ের জন্য গ্রাফিক রিভার, গ্রাফিক রিজার্ভ, সাটার স্টক, এডোবি স্টক, ফ্রি পিক ইত্যাদি সাইটে ডিজাইন পাবলিশ করতে পারেন।

কেন অথর হওয়া জরুরী?

আপনি আপনার ১০০% ভাগ সময় নিশ্চয় একা রাত জেগে পার করে দিতে বেশ আনন্দ পাননা, পেলেও সেটা বেশিদিন স্থায়ী হওয়ার কথা না। এখন আপনার যে অনুভূতি সেটা ৫ বছর পর থাকবে না বা অন্যান্য পারিবারিক কারণে সেটা করা সম্ভব নাও হতে পারে।

তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিন। আপনি ১৫ দিনের জন্য ছুটিতে গেলেও বিভিন্ন সাইটে আপনার ডিজাইন বিক্রির মাধ্যমে আপনার পেসিভ আয় অব্যাহত থাকেবে।

কিভাবে অথর হবেন?

আপনি প্রতিদিন ১০০% সময়ের মধ্যে ২০% সময় আপনার ভবিষ্যতের জন্য ব্যয় করতে হবে। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই তথ্য একজন মিলোনিয়ার ডিজাইন অথরের সাক্ষাতকার থেকে জেনেছি।

তিনি একটা বড় এজেন্সির হয়ে কাজ করেন। প্রতিদিনের ২০% সময় মার্কেটপ্লেসের ডিজাইন পোর্টফলিওতে কাজ করেন। বর্তমানে উনার ডিজাইন স্টক আয় এজেন্সির আয় থেকে অনেক অনেক বেশি হয়।

গ্রাফিক রিজার্ভ আপনার জন্য সহজ সমাধান!

আমি আমার ফটোশপ প্রো কোর্সের টিপসে বলেছি, ক্লায়েন্টকে খুশি করতে সব সময় একাধিক ডিজাইন অপশন দিতে। একই নির্দেশনা আমি আপনাকে দিচ্ছি। কাজ করার সময় যতটা সম্ভব প্রফেশনাল এবং ইউনিক কাজ করার চেষ্টা করবেন। ফ্রি ফন্ট ব্যবহার করবেন। আপনি যখন ক্লায়েন্টের কাজ করবেন তখন মিনিমাম ২ টা অপশন তৈরি করবেন।

ক্লায়েন্ট যে ডিজাইনটা নিবে সেটা তাকে দিয়ে দিন। এক্সটা যে ডিজাইনটা থাকবে সেটা ইমপ্রুভ করে টেমপ্লেট আকারে গ্রাফিক রিজার্ভে সেল করার জন্য পাবলিশ করে দিন। স্মরণ রাখবেন, ক্লায়েন্ট একাই ওই বিজনেস করে না। অন্য অনেক ক্লায়েন্ট আছে যার সেম মার্কেটিং টুলটা প্রয়োজন!

এভাবে কাজ করলে কোন কপি রাইট ইসু থাকবে?

আমাদের কমিউনিটিতে একটা ভুল ধারণা আছে যে মার্কেটপ্লেসের ডিজাইন বা কন্টেন্টের ডিজাইন আপনি পোর্টফোলিওতে রাখেতে পরবেন না। যেটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা বলে আমি মনে করি।

আপনি ডিজাইন করেছেন এটা আপনার ইনটেলেকচুয়াল প্রোপার্টি। ক্লায়েন্ট যদি আপনার সাথে কোন চুক্তি না করে বা রিকোয়েস্ট করে পাবলিশ না করার জন্য তবে আপনি সে ডিজাইনটা কোথাও ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে আপনি মডিফাই করে কন্টেন্টে এবং ইমেজ পরিবর্ত করে যে কোন মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারবেন।

কপি রাইট এবং মার্কেটপ্লেস বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আমার সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স মার্কেটপ্লেস গাইডলাইন ফলো করবেন। আশা করি এই পোস্টটি আপনার ডিজাইনার লাইফ স্টাইল উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। ধন্যবাদ 🙂

গ্রাফিক ডিজািইন এবং ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক অন্যান্য যে পোস্টগুলো আপনার পড়া প্রয়োজন

5/5 (3 Reviews)

11 Comments

Related Posts

11
Leave a Reply

avatar
9 Comment threads
2 Thread replies
0 Followers
 
Most reacted comment
Hottest comment thread
11 Comment authors
graphicaoriginMd Mahabubur Rahman SotonakifrobiMainuddinDiDARUL islam Recent comment authors
  Subscribe  
newest oldest most voted
Notify of
mdazimuddin439
Member

Important article. tnx Naser vai

sohelbkm
Member

Yes! Tanks for the great tips!

Taposh
Guest
Taposh

8 years Design niye kaj kore aponar boring lagse …. tahole aponar ucit design cere onno kisu kora jeta sara jibon korleu boring lagbe nah.. emon ki aponar daily routine baire jode extra 2 hours kaj korte hoi tau jeno boring na lage

arxihad
Member
arxihad

Thanks for sharing the Awesome & Important Experience. Live long brother

zahidhasan4983
Member
zahidhasan4983

Just Awesomepost.Thanks boss

DiDARGD
Member

Very important article 👍👌 Thanks for the sharing your life experiences

akifrobi
Member
akifrobi

Life-changing article. 🔥🔥🔥 Every designer should read this article. Thank you so much, brother!

Md Mahabubur Rahman Soton
Member

This article is felling, achievement, and future of a Graphic Designer. Really important.

graphicaorigin
Member
graphicaorigin

Passive income is most important for Freelancer But we need immediate income 😀

How would like to contact us?